Skip to content Skip to main navigation Skip to footer

জাহানারা বেগম: আমাদের গুষ্টির রোদেলা হাসি

Shakib Sony

খা গুষ্টির উঠোনে যদি কারও নাম বললে সঙ্গে সঙ্গে হেসে ফেলতে হয়, তবে সে নাম — জাহানারা বেগম

সে যেন গফুর আলীর ঘরের সূর্য।
সবচেয়ে বড় মেয়ে, কিন্তু একটুও ‘বড় মেয়ে সুলভ’ ভয় দেখানো কড়াকড়ি নেই ওর মধ্যে।

ছোটবেলায় নাকি ভোরে ভোরে হাঁসের পেছনে দৌড়ে পুকুরে ঝাঁপ দিত। আর মুখে মুখে গান গাইত —
“আমি জাহানারা, গানের তারা, রান্না করি আর হই চিল্লাপাড়া!”

একবার গুষ্টির কারও বিয়ে ঠিক হলো। পুরো উঠোন জুড়ে টেন্ট, রঙিন বাতি, চাল ধোয়া, রান্না, গেট সাজানো — সবাই ব্যস্ত।
জাহানারা আপা কী করলেন জানো?
এক হাতে আলুর দম রাঁধছেন, অন্য হাতে এক শিশুকে দোলাচ্ছেন, আর মাঝেমাঝে হাঁক দিচ্ছেন —
“ও মুকুল! পিয়াজটা কাঁটিস ঠিক করে, বিয়ের রান্নায় কেউ চোখের জল মেশায় না!”

সবাই বলে, জাহানারা আপা ‘মানুষকে আপন করে নেওয়ার এক খাসমাহার’।
তাঁর মুখে সব সময় হাসি, সহজ কথা, আর দু’চোখে অফুরন্ত ভালোবাসা।

শুধু তাই না —
যখন কেউ পড়াশোনায় কষ্টে পড়ে, উনি নিজের কাজ ফেলে পাশে বসেন।
কেউ মন খারাপ করে থাকে? উনি বলেন,
“এট্টু রসগোল্লা খাও, মন ভালো না হলে আমি তো পিয়াজ কাঁটবো না!”